1. admin@n-vabna.com : Rifan : Rifan Ahmed
  2. mdmohaiminul77@gmail.com : Mohaiminul Islam : Mohaiminul Islam
  3. ischowdhury90@gmail.com : Riazul Islam : Riazul Islam
শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
দেশব্যাপী প্রচার ও প্রসারের লক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা সিভি পাঠান info.nagorikvabna@gmail.com অথবা হটলাইন 09602111973-এ ফোন করুন।

তাড়াইল উপজেলা হাসপাতালে ড্রেন নির্মানে অনিয়ম

  • সর্বশেষ পরিমার্জন : মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

জোবায়ের হোসেন খান, তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ):

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে আরসিসি এবং সিসি ড্রেনের কাজ করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের হেলথ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট (এইচইডি)র অধীনে তাড়াইল উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ড্রেন নির্মাণ, বালু ভরাট ও রিপিয়ারিং এর টেন্ডারের বিপরীতে প্রায় সাড়ে ২৮ লক্ষ টাকার কাজ পায় ময়মনসিংহের মেসার্স মারিয়া এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। যাহার আইটেম নং এইচইডি/কিশোর/ডিআইভি/ইজিপি-টেন্ডারশীপ-২য়/২০১৯-২০/৫৮২। বিগত সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখে কার্যাদেশ পাওয়ার পর থেকেই উক্ত প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রথম শ্রেণির চিকিৎসকের বাসভবনের পিছনে কাঁদামাটিতে ড্রেনের কাজ দ্রুতগতিতে করছে কয়েকজন লেবার।নিম্নমানের ইট সুরকি ও বালু দিয়ে ড্রেনের কাজ করা হচ্ছে। অথচ কার্যাদেশে এক নম্বর সামগ্রীর কথা উল্লেখ থাকলেও কেন নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে প্রশ্ন করলে কাজে নিয়োজিত ফোরম্যান মোতালিব জানান ঠিকাদার যেসব সামগ্রী দিয়েছেন তা দিয়েই আমরা কাজ করছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলমাছ হোসেন এবং আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.বদরুল হাসান জানান, আমাদের তদারকি করার কোনও বিধান নাই। তাই নিম্নমানের কাজ করলেও আমাদের কিছুই করার নাই। ঢালাইয়ে সময় ইঞ্জিনিয়ার থাকার কথা থাকলেও এ কাজে তাঁর অনুপুস্থিতিই কাঁদামাটি সহ পানির মধ্যেই মনগড়া ঢালাইয়ের কাজ করছে লেবারগন।

কাজের দেখভালের দ্বায়িত্বে থাকা জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ( এইচইডি)র ইঞ্জিনিয়ার মো. সুমন জানান, জেলার ১৩ টি উপজেলার কাজ আমাকে একা দেখতে হয়। জনবল না থাকায় আমি ঠিকমত দেখভাল করতে পারছি না। কার্যাদেশ পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মারিয়া এন্টারপ্রাইজের কোনও ব্যাক্তিই এখন পর্যন্ত কাজের কোনও তদারকি করতে আসেনি।

এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কার্যাদেশে ৫ লক্ষ টাকার বালু ধরা থাকলেও স্থানীয় একজন বালু ব্যাবসায়ীকে ১ লক্ষ টাকায় কাজ দেয়া হয়েছে। এক নম্বর ২০হাজার ইট দিয়ে কাজ করার কথা।অথচ লেবার সর্দার মোতালিব জানান ৪ হাজার ইট দিয়ে কাজ শেষ করার কথা বলেছে ঠিকাদার।

এ ব্যাপারে মারিয়া এন্টারপ্রাইজের সাথে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ করেনি।

উপজেলা এলজিইডি’র ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে আমি মৌখিকভাবে শুনেছি। তবে তদারকি করার এখতিয়ার আমাদের নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬৫,৯৮৭,৬২৯
সুস্থ
৪৫,৬৬৩,৪৮০
মৃত্যু
১,৫১৯,৫৭১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব