1. admin@n-vabna.com : Rifan : Rifan Ahmed
  2. mdmohaiminul77@gmail.com : Mohaiminul Islam : Mohaiminul Islam
  3. ischowdhury90@gmail.com : Riazul Islam : Riazul Islam
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
দেশব্যাপী প্রচার ও প্রসারের লক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা সিভি পাঠান info.nagorikvabna@gmail.com অথবা হটলাইন 09602111973-এ ফোন করুন।

করোনার সময়ে শিশুর টিকাদান

  • সর্বশেষ পরিমার্জন : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

অধ্যাপক আবিদ হোসেন মোল্লা, শিশু বিভাগ, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা : করোনাভাইরাসের কারণে এপ্রিল-মে মাসে বাংলাদেশের প্রায় আড়াই লাখ শিশু নিয়মিত টিকা লাভে ব্যর্থ হয়েছে। তথ্যটা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্রে জেনেছি। একই সঙ্গে এই আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে, যে মহামারির কারণে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবায় নানা সংকট তৈরি হওয়ায় আগামী ৬ মাসে বাংলাদেশে ৫ বছরের কম বয়সী অতিরিক্ত ২৮ হাজার শিশুর মৃত্যু হতে পারে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুরোধে এই মুহূর্ত থেকেই শিশুদের টিকা দেওয়া এবং তা নিয়মিত করা খুবই জরুরি।
নিয়মিত টিকা না দেওয়া শিশুদের দুটি ভাগ রয়েছে। এক দল এখনো টিকা শুরু করতে পারেনি, আর আরেক দল টিকা শুরু করলেও নিয়মিতভাবে দিতে পারেনি। কারও প্রথম ও দ্বিতীয় বা দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডোজের মধ্যে ২ থেকে ৩ মাস বিরতি পড়ে গেছে। এই দুই দলকেই চিহ্নিত করে সরকারি কার্যক্রমের আওতায় দ্রুত টিকাদান শুরু করার পাশাপাশি নিয়মিত করতে হবে।
এখন প্রশ্ন হলো এমন সংকট আর আতঙ্কের সময় কীভাবে আমরা অভিভাবকদের টিকাদান কেন্দ্রমুখী করতে পারি বা কী সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত? এরই মধ্যেই মানুষের মনে একটা আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। কেউ ভাবছেন আদৌ টিকাদানকেন্দ্র বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে এই সেবা মিলবে কি না, মিললেও শিশুকে নিয়ে যাওয়া ঝুঁকির কি না! টিকা দিতে গিয়ে শিশু এবং মা যদি কোভিড-১৯–এ সংক্রমিত হন—এ আশঙ্কায় পরিবারের মুরুব্বিরা বাধা দিচ্ছেন। টিকাদানকেন্দ্রের পরিবেশ, সংক্রমণ ঝুঁকি, পরিবহন ও যাতায়াত, জনসমাগম, অপেক্ষমাণ জায়গার পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। সেখানকার স্বাস্থ্যবিধি আর সামাজিক দূরত্ব মানার ব্যবস্থা কেমন ইত্যাদি নিয়ে শঙ্কা আছে। এ ছাড়া এ সময় জীবন–জীবিকার টানাপোড়েনে অনেকের ঠিকানা আর স্থান বদলের কারণে টিকাদানের গুরুত্ব বাবা-মায়ের মাথায় থাকলেও অনেকে বিষয়টা এড়িয়ে গেছেন।
চাই নতুন ব্যবস্থাপনা
করোনা মহামারির আগে টিকাকেন্দ্রে যে পরিবেশে কার্যক্রম চালানো যেত, এখন আর সেভাবে চালানো যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে টিকা দিতে গেলে, আগে এক দিনে যত বাচ্চার টিকা দেওয়া যেত, এখন আর তা সম্ভব হবে না। লম্বা সময় শিশু ও মাকে টিকাদানকেন্দ্রে লাইনে থাকতে হতে পারে। তাতে সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়তে পারে। তা ছাড়া দীর্ঘ অপেক্ষায় টয়লেটের প্রয়োজনীয়তা ও সুবিধা, শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সুবিধা ইত্যাদি নিয়েও চিন্তা করতে হবে।
বাংলাদেশে শিশুদের টিকা দেওয়া হয় মূলত নির্দিষ্ট টিকাকেন্দ্রে এবং মাঠপর্যায়ে অস্থায়ী স্যাটেলাইট ক্লিনিকের মাধ্যমে। করোনাকালে অনেক স্যাটেলাইট ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার সম্মুখীন। এগুলো চালু করার জন্য আশু পদক্ষেপ নিতে হবে। মহামারির সময় বদ্ধ ঘরের চেয়ে বড় মাঠে, যেমন স্কুলের মাঠে ক্যাম্প করে টিকা দান কার্যক্রম চালানো ভালো।
টিকাকেন্দ্রে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে। টিকা দেওয়ার কর্মী করোনাক্রান্ত হলে আসা সবাই ঝুঁকির মুখে পড়বেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৬৪,১৮৮,৯৫০
সুস্থ
৪৪,৪৩৭,৯৮০
মৃত্যু
১,৪৮৬,৬০৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

প্রযুক্তি সহায়তায় ইন্টেল ওয়েব